শুক্রবার থেকে মেট্রোরেল বন্ধের হুমকি

বিশেষ প্রতিনিধি

চাকরিবিধি চূড়ান্ত করার জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) স্থায়ী কর্মীরা। তারা জানিয়েছে, স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা প্রণয়ন না হলে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে মেট্রোরেল সেবা বন্ধ থাকবে।

‘ডিএমটিসিএলে সরাসরি উন্মুক্ত নিয়োগের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ’ ব্যানারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান গত ১২ সেপ্টেম্বর স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। এরপর, ডিএমটিসিএলের ৬০তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, ৬০ দিনের মধ্যে বিধিমালা প্রণয়ন করে সড়ক বিভাগে পাঠানো হবে।

এরপর পাঁচ মাস পার হলেও ‘রহস্যজনক কারণে’ সেই বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি মন্তব্য করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি বিধিমালা না থাকায় ডিএমটিসিএলের ২০০ জনেরও বেশি দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ কর্মকর্তা ও কর্মচারী চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ফলে মেট্রোরেল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ হুমকির মুখে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ টিম। পরিদর্শনের সময় কাঁচামাল পিরামিড আকারে থাকায় সঠিকভাবে পরিমাপ না করে অনুমান করে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ছয়টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৪ হাজার ৫৭৭ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। একই বছরের ১ ডিসেম্বর এক্স-বন্ড বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে প্রায় ১৯ কোটি টাকার শুল্ককর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর বন্ড কমিশনারেট থেকে ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে কাঁচামাল অপসারণ শুরু হয়। এর মধ্যে প্রিভেন্টিভ টিম বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ পরিদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিদর্শনের সময় অবৈধভাবে অপসারণের জন্য যে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন চিনি মজুদ রয়েছে, কিন্তু বন্ড রেজিস্টারে উল্লেখ নেই বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। মজুদ করা কাঁচামাল এক্স-বন্ডের মাধ্যমে ছাড় নেওয়া। এ প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে অপসারণের জন্য কখনও কাঁচামাল মজুদ করে না। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা একই দাবি করেন। মজুদ কাঁচামাল আর বন্ড রেজিস্টার আড়াআড়িভাবে যাচাই করলে অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করা হয়।