ঈদযাত্রায় বছিলা-পূর্বাচল থেকে থাকছে বিশেষ লঞ্চ

বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকা নদীবন্দর (সদরঘাট) এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ কমাতে এবং বিকল্প নৌপথে যাতায়াত সহজ করতে চলতি ঈদযাত্রায় বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যবস্থার আওতায় বছিলা ব্রিজ সংলগ্ন লঞ্চঘাট এবং পূর্বাচলের কাঞ্চন ব্রিজের কাছে শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ চলবে। শনিবার (১৪ মার্চ) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বছিলা লঞ্চঘাট (ব্রিজের নিচে) থেকে ৬টি এবং শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে ৩টি বিশেষ লঞ্চ বিভিন্ন নৌপথে যাত্রী পরিবহন করবে। এর পাশাপাশি ঈদযাত্রায় যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সদরঘাট এলাকায় প্রবীণ ও নারী যাত্রীদের ব্যবহার্য মালামাল বা ব্যাগ (ব্যবসায়িক পণ্য ব্যতীত) বহনের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে।

আগামী মঙ্গলবার থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মোট ১২ দিন টার্মিনাল থেকে লঞ্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে কুলি বা পোর্টার সেবা প্রদান করা হবে। একই সময়ে অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) ও বরিশাল নদী বন্দরে হুইলচেয়ার সেবাও প্রদান করবে কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে যে, গৃহীত এসব উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রা আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এই কর্মসূচি সফল করতে যাত্রীসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ টিম। পরিদর্শনের সময় কাঁচামাল পিরামিড আকারে থাকায় সঠিকভাবে পরিমাপ না করে অনুমান করে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ছয়টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৪ হাজার ৫৭৭ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। একই বছরের ১ ডিসেম্বর এক্স-বন্ড বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে প্রায় ১৯ কোটি টাকার শুল্ককর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর বন্ড কমিশনারেট থেকে ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে কাঁচামাল অপসারণ শুরু হয়। এর মধ্যে প্রিভেন্টিভ টিম বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ পরিদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিদর্শনের সময় অবৈধভাবে অপসারণের জন্য যে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন চিনি মজুদ রয়েছে, কিন্তু বন্ড রেজিস্টারে উল্লেখ নেই বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। মজুদ করা কাঁচামাল এক্স-বন্ডের মাধ্যমে ছাড় নেওয়া। এ প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে অপসারণের জন্য কখনও কাঁচামাল মজুদ করে না। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা একই দাবি করেন। মজুদ কাঁচামাল আর বন্ড রেজিস্টার আড়াআড়িভাবে যাচাই করলে অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করা হয়।