কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট

বিশেষ প্রতিনিধি

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তজনার মধ্যে কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে দোহার বাংলাদেশ দূতাবাস। এ বিষয়ে তারা কাতার সরকার ও কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে কাজ করছে। ১১ মার্চ জারি করা এক জরুরি বার্তায় দূতাবাস জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভ্রমণ সহজ করতে তারা কাতার সরকার ও কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশে ফিরতে চাওয়া যাত্রীদের মধ্যে পরিবার, নারী, শিশু ও বয়স্কদের এই বিশেষ ফ্লাইটে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দূতাবাস আরও জানায়, আগ্রহী যাত্রীদের তালিকা তৈরির জন্য তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি ‘গুগল ফর্ম’–এর লিংক প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিশেষ ব্যবস্থায় দেশে আসার জন্য আটকে পড়া বাংলাদেশিদের যত দ্রুত সম্ভব ওই ফর্মের মাধ্যমে নিজেদের তথ্য জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু অংশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এ নির্দেশনা জারি করা হলো। বাংলাদেশি জনশক্তির অন্যতম প্রধান গন্তব্য কাতার। দেশটির নির্মাণ, সেবা খাতসহ বিভিন্ন খাতে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। জরুরি অবস্থা বা ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বা বিশেষ ভ্রমণসহায়তা দিতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো প্রায়ই সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারসহ এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ টিম। পরিদর্শনের সময় কাঁচামাল পিরামিড আকারে থাকায় সঠিকভাবে পরিমাপ না করে অনুমান করে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ছয়টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৪ হাজার ৫৭৭ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। একই বছরের ১ ডিসেম্বর এক্স-বন্ড বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে প্রায় ১৯ কোটি টাকার শুল্ককর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর বন্ড কমিশনারেট থেকে ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে কাঁচামাল অপসারণ শুরু হয়। এর মধ্যে প্রিভেন্টিভ টিম বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ পরিদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিদর্শনের সময় অবৈধভাবে অপসারণের জন্য যে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন চিনি মজুদ রয়েছে, কিন্তু বন্ড রেজিস্টারে উল্লেখ নেই বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। মজুদ করা কাঁচামাল এক্স-বন্ডের মাধ্যমে ছাড় নেওয়া। এ প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে অপসারণের জন্য কখনও কাঁচামাল মজুদ করে না। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা একই দাবি করেন। মজুদ কাঁচামাল আর বন্ড রেজিস্টার আড়াআড়িভাবে যাচাই করলে অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করা হয়।