১৬ মার্চ থেকে ঈদের ছুটি শুরু

বিশেষ প্রতিনিধি

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়ি ফেরা মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে একদিন অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। এর ফলে ১৬ মার্চ অফিস শেষে সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারি ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হবে বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। এর ফলে ১৬ মার্চ অফিস করেই শুরু হবে ঈদ ছুটি।

১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ঈদের ছুটি ভোগ করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এর পর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। আর ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) থাকায় ঈদের ছুটির পরও টানা তিন দিনের অবকাশ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ টিম। পরিদর্শনের সময় কাঁচামাল পিরামিড আকারে থাকায় সঠিকভাবে পরিমাপ না করে অনুমান করে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ছয়টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৪ হাজার ৫৭৭ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। একই বছরের ১ ডিসেম্বর এক্স-বন্ড বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে প্রায় ১৯ কোটি টাকার শুল্ককর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর বন্ড কমিশনারেট থেকে ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে কাঁচামাল অপসারণ শুরু হয়। এর মধ্যে প্রিভেন্টিভ টিম বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ পরিদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিদর্শনের সময় অবৈধভাবে অপসারণের জন্য যে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন চিনি মজুদ রয়েছে, কিন্তু বন্ড রেজিস্টারে উল্লেখ নেই বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। মজুদ করা কাঁচামাল এক্স-বন্ডের মাধ্যমে ছাড় নেওয়া। এ প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে অপসারণের জন্য কখনও কাঁচামাল মজুদ করে না। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা একই দাবি করেন। মজুদ কাঁচামাল আর বন্ড রেজিস্টার আড়াআড়িভাবে যাচাই করলে অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করা হয়।