কোম্পানি পর্যায়ে রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়ল

বিশেষ প্রতিনিধি

কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময় আরও এক দফা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (১৫ মার্চ) এক আদেশে কোম্পানির ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার সময় ১৫ মার্চ থেকে বাড়িয়ে ১৫ এপ্রিল করা হয়েছে। আয়কর নীতির দ্বিতীয় সচিব একরামুল হকের সই করা আদেশে বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩৩৪ এর দফা (খ) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, আয়কর আইন, ২০২৩ এ সংজ্ঞায়িত কোম্পানি করদাতাদের ২০২৪-২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়ানো হলো। কোম্পানি করদাতারদের রিটার্ন জমার সময় ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করেছিল এনবিআর। তবে পরে তা ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সম্প্রতি কোম্পানির রিটার্ন জমার সময় বাড়াতে এনবিআরে চিঠি পাঠায় ব্যবসায়ীদের কয়েকটি সংগঠন। এরপর আরও এক দফায় সময় বাড়িয়ে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত করা হলো।

এর আগে চতুর্থবারের মতো ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় একমাস বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে করদাতারা জরিমানা ছাড়া আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তৃতীয়বারের মতো রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানো হয়, যা দুইদিন পর শেষ হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (কর আইন-১) মো. একরামুল হক সই করা আদেশ জারি করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ কর বছরের জন্য এখন পর্যন্ত ৪০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন। এনবিআর জানিয়েছে, গত ৪ আগস্ট থেকে এ বছরের ৪ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৫০ লাখ করদাতা ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করেছেন।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ টিম। পরিদর্শনের সময় কাঁচামাল পিরামিড আকারে থাকায় সঠিকভাবে পরিমাপ না করে অনুমান করে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ছয়টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৪ হাজার ৫৭৭ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। একই বছরের ১ ডিসেম্বর এক্স-বন্ড বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে প্রায় ১৯ কোটি টাকার শুল্ককর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর বন্ড কমিশনারেট থেকে ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে কাঁচামাল অপসারণ শুরু হয়। এর মধ্যে প্রিভেন্টিভ টিম বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ পরিদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিদর্শনের সময় অবৈধভাবে অপসারণের জন্য যে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন চিনি মজুদ রয়েছে, কিন্তু বন্ড রেজিস্টারে উল্লেখ নেই বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। মজুদ করা কাঁচামাল এক্স-বন্ডের মাধ্যমে ছাড় নেওয়া। এ প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে অপসারণের জন্য কখনও কাঁচামাল মজুদ করে না। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা একই দাবি করেন। মজুদ কাঁচামাল আর বন্ড রেজিস্টার আড়াআড়িভাবে যাচাই করলে অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করা হয়।