গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার সেই শিশুটির মৃত্যু

বিশেষ প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম–এর সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া আট বছরের কন্যাশিশুটি মারা গেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটিতে দায়িত্বরত জেলা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার।

এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতর থেকে গলাকাটা অবস্থায় শিশুটিকে করা হয়। এরপর শিশুটিকে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী কন্যা শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, শিশুটির বাড়ি কুমিরায়। আর যে জায়গা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেখান থেকে তার বাড়ি অন্তত পাঁচ–সাত কিলোমিটার দূরে। সেখান থেকে শিশুটির একা এত দূরে আসা সম্ভব নয়। কেউ হয়তো ফুসলিয়ে শিশুটিকে সেখানে নিয়ে এসেছে। শনিবার সকালে শিশুটিকে উদ্ধারের সময় তার গলা থেকে রক্ত ঝরছিল। সেখানে সড়কটির সংস্কারের কাজে থাকা শ্রমিকেরা শিশুটিকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করেন। তাদের পরনের কাপড় দিয়ে গলা পেঁচিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। পরে তারা দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ টিম। পরিদর্শনের সময় কাঁচামাল পিরামিড আকারে থাকায় সঠিকভাবে পরিমাপ না করে অনুমান করে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ছয়টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৪ হাজার ৫৭৭ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। একই বছরের ১ ডিসেম্বর এক্স-বন্ড বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে প্রায় ১৯ কোটি টাকার শুল্ককর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর বন্ড কমিশনারেট থেকে ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে কাঁচামাল অপসারণ শুরু হয়। এর মধ্যে প্রিভেন্টিভ টিম বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ পরিদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিদর্শনের সময় অবৈধভাবে অপসারণের জন্য যে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন চিনি মজুদ রয়েছে, কিন্তু বন্ড রেজিস্টারে উল্লেখ নেই বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। মজুদ করা কাঁচামাল এক্স-বন্ডের মাধ্যমে ছাড় নেওয়া। এ প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে অপসারণের জন্য কখনও কাঁচামাল মজুদ করে না। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা একই দাবি করেন। মজুদ কাঁচামাল আর বন্ড রেজিস্টার আড়াআড়িভাবে যাচাই করলে অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করা হয়।