বইমেলায় সুলতান মাহমুদের ‘মুখ ও মুখোশ’ উপন্যাস

বিশেষ প্রতিনিধি

 শেয়ার

অমর একুশের বইমেলায় কাস্টমস কর্মকর্তা একেএম সুলতান মাহমুদ রচিত ‘মুখ ও মুখোশ’ উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) বাংলা একাডেমিরর গ্রন্থমেলার বর্ধিত অংশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মোড়ক উন্মোচনের নির্ধারিত জায়গায় উপন্যাসটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এই উপন্যাসে সমাজে সমাজসেবার আড়ালে অপরাধের মাত্রা উন্মোচিত হয়েছে। একেএম সুলতান মাহমুদ কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার।
IMG 4877.JPG
বইটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. প্রফেসর মো. সহিদুল ইসলাম জাহিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ছালাউদ্দিন রিপন। এ সময় অনিন্দ্য প্রকাশের কর্ণধার মোহাম্মদ আফজাল হোসেন, কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার মো. আল-আমিন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, বইটির লেখক একেএম সুলতান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
IMG 4875.JPG
মোড়ক উন্মোচনের পর অতিথিরা বলেন, আমরা সবাই মিলে যদি নিজেদের ভাব-ভাবনা ফুটিয়ে তুলতে পারতাম, তাহলে সাহিত্য জগৎ অনেক বেশি সমৃদ্ধ হতো। রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে থেকে লেখালেখি দুরূহ বিষয়। তবু এ কে এম সুলতান মাহমুদ লেখালেখি করেছেন। তিনি তাঁর মনের ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরেছেন। সমাজে সমাজসেবার আড়ালে অনেকেই অপরাধ করে থাকেন। উপন্যাসে সমাজের বিভিন্নস্তরের মানুষের অপরাধ তুলে ধরেছেন তিনি। এবারের বইমেলায় অনিন্দ্য প্রকাশের স্টলে উপন্যাসটি পাওয়া যাবে। স্টল নম্বর ৫৬৫-৫৬৯।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিত জবাবে বলা হয়, প্রিভেন্টিভ টিম। পরিদর্শনের সময় কাঁচামাল পিরামিড আকারে থাকায় সঠিকভাবে পরিমাপ না করে অনুমান করে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে ছয়টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১৪ হাজার ৫৭৭ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করে। একই বছরের ১ ডিসেম্বর এক্স-বন্ড বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে প্রায় ১৯ কোটি টাকার শুল্ককর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর বন্ড কমিশনারেট থেকে ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে কাঁচামাল অপসারণ শুরু হয়। এর মধ্যে প্রিভেন্টিভ টিম বন্ডেড ওয়‍্যারহাউজ পরিদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, পরিদর্শনের সময় অবৈধভাবে অপসারণের জন্য যে দুই হাজার ৫৬৫ মেট্রিক টন চিনি মজুদ রয়েছে, কিন্তু বন্ড রেজিস্টারে উল্লেখ নেই বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। মজুদ করা কাঁচামাল এক্স-বন্ডের মাধ্যমে ছাড় নেওয়া। এ প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে অপসারণের জন্য কখনও কাঁচামাল মজুদ করে না। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা একই দাবি করেন। মজুদ কাঁচামাল আর বন্ড রেজিস্টার আড়াআড়িভাবে যাচাই করলে অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করা হয়।